<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>আবার কবিতা</title>
	<atom:link href="http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com</link>
	<description>একটি ক্রমবিস্তৃত কবিতা পত্র</description>
	<lastBuildDate>Tue, 24 Feb 2009 22:06:31 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.9.2</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title></title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=15</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=15#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 13 Dec 2007 07:19:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[new issue]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=15</guid>
		<description><![CDATA[অধিরাজের কবিতা
অ চি ন্ত নী য় 
 
সন্ধ্যার তারা জ্বলে উঠে আকাশে
রাতের শান্ত অন্ধকার গ্রাস করে
আমার সবটুকু চিন্তা
আমি হয়ে যাই অন্য কোন গ্রহের মান্যু
একাকার হয়ে যাই
আমার আমিত্বে
খুঁজে ফিরি আমার সুখ
সে কোথায় জানি না ।
আমি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে রই
হাত বাড়িয়ে ছুঁতে গিয়ে দেখি
আমি নির্জন কোন এক দ্বীপে
একা &#8230; বন্ধুহীন
একটি চাঁদ, মৃদু আলো আর
আমার অন্ধকার ।
                        
রুবেলের কবিতা
য খ ন  [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>অধিরাজের কবিতা<br />
অ চি ন্ত নী য় <br />
 <br />
সন্ধ্যার তারা জ্বলে উঠে আকাশে<br />
রাতের শান্ত অন্ধকার গ্রাস করে<br />
আমার সবটুকু চিন্তা<br />
আমি হয়ে যাই অন্য কোন গ্রহের মান্যু<br />
একাকার হয়ে যাই<br />
আমার আমিত্বে<br />
খুঁজে ফিরি আমার সুখ<br />
সে কোথায় জানি না ।</p>
<p>আমি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে রই<br />
হাত বাড়িয়ে ছুঁতে গিয়ে দেখি<br />
আমি নির্জন কোন এক দ্বীপে<br />
একা &#8230; বন্ধুহীন<br />
একটি চাঁদ, মৃদু আলো আর<br />
আমার অন্ধকার ।<br />
                        </p>
<p>রুবেলের কবিতা<br />
য খ ন  ত খ ন</p>
<p>যখন দেখবে আমি নেই<br />
তখন ভাববে আমি আছি<br />
যখন ভাববে আমি নেই<br />
তখন দেখবে আমি আছি<br />
 <br />
নিউটন চৌধুরীর কবিতা<br />
অ ক্ষ য়  তু মি</p>
<p>বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে শুদ্ধ হও তুমি<br />
বৃষ্টির জলে যাক চলে<br />
তোমার সমস্ত পাপ<br />
রাশি রাশি কৃত্রিম হাসি<br />
যত বাসি, জঙ্গল মনের।<br />
 রোদে মেলে ধরো ডানা ,<br />
দিক হানা।<br />
অজানা কুৎসিত যত হোক ক্ষয়<br />
আমি জানি ভেতরের সেই তুমি<br />
আজো আছো অক্ষয়।</p>
<p>গোঁসাই পাহ্লভীর কবিতা<br />
মা ফ  চায়  প্র থ ম,  আ লো  না  ম তি</p>
<p>খুব কাছাকাছি। হলো শ, সংযোগ।<br />
দুই এক হোতে<br />
সময় শূন্য সামথিং সেং।</p>
<p>এক হয় দুই হয় তিন চার পাঁচ<br />
ছয় হয়  এ খবর প্রথম আলো দিলো।<br />
সূর্য উঠার আগেই পয়দা হোল আলো<br />
ভালো ! তালও.. .. ..</p>
<p>রাজীব দত্তের কবিতা<br />
এ টা ই  ক বি তা</p>
<p>পাশের সিটে গোমরামুখে বসে আছে একজন। কই, জিজ্ঞেস করি নি তো; মন খারাপ আপনার ? তুই বলেই তোকে বিষণ্ন দেখে খুউব, বসে পড়লাম তোর পাশে, কী লিখছি এসব হাবিজাবি। নির্ঝরদা বললেন বলেই কবিতা প্রসবের চেষ্টা, প্রসব? প্রসবও হচ্ছে কই, এতো আত্মমৈথুন, পাঠক বিরক্ত হচ্ছেন, হোন, যত্তো ইচ্ছে, আপনি বিরক্ত হতে পারেন, এর বাইরে আমি কিছুই লিখবো না। পড়নে বা না পড়েন, এই-ই কবিতা। গুটিকয় লোক চাইলেই যদি হাজারে হাজারে লাখে লাখে কোটিতে কোটিতে মানুষ মারতে পারে, আমার এই নিরীহ শব্দ কতিপয়, যদি কবিতা দাবি করে, আপনাদের সমস্যা কই? তাই মানেন বা না মানেন- আমাদের মাস্টারবেশনও কবিতা, আমাদের প্রিয় কবিতা।<br />
রাসেলের কবিতা</p>
<p>আমি তোমারে দেখি<br />
বন্ধদুয়ারের ফাঁকে<br />
          <br />
          নিষিদ্ধ উঁকি।</p>
<p>১১.১২.০৭.</p>
<p>ফরিদ মজুমদারের কবিতা<br />
ব র ই ত লা  ক থ ন</p>
<p>প্রতিদিন ঘোরে পাহাড়ে<br />
মন কাটালে: ঘুঘু আর বনশালিকের ঘরে<br />
আমরা সঙ্গোপনে রাঙাই স্বপন।<br />
বরইতলায় এখন আর আগের মত ব্যস্ত হই না;<br />
   আমরা এসে ডুবে যাই যে যার ঘরে।<br />
  প্রতিদিন প্রতিদিন এই উর্বরভূমে বন্ধ্যার মতো<br />
বসে থাকি।<br />
আমাদের দেনা আছে এইখানে;<br />
নিয়েছি তো ঢের;<br />
এইবার ক্ষরণের কাল।<br />
মানস চাঁদের কবিতা<br />
ভো লা গা থা</p>
<p>এমনই গাধা আমি ক্ষমতা এক মনের <br />
কাঁধে চাপাই শতমন ভারী বস্তা।<br />
স্বচ্ছপানি দেখি না চোখে<br />
তাই বুঝি ঘোলাই শুধু জীবন<br />
মূলের চিন্তায় শুধু হাঁটি<br />
গলদ হই কামনায়<br />
পুতি পানাহারে হই সুখি।</p>
<p>১০.১২.০৭</p>
<p>নীলাভ ভাষ্করের কবিতা<br />
ম হা শূূ ন্য বা সী :  ফি র তি প থে র  গ ল্প</p>
<p>কার্তিকের ওলানে মহাশূন্যবাসী<br />
গড়াইতে করেছিল  চন্দ্রস্নান।<br />
মনে ধরলো তার দিবে পাড়ি লক্ষযোজন <br />
ব্যবস্থাপত্র করে রওনা হলো জোছনার পথ ধরে।<br />
হঠাৎ থেমে গেল, মনে পড়লো কিছু। <br />
বামন পাবলিশার্সে শ্বেতপাথরের টেবিলে<br />
পড়েছিলো তার শেষ পাণ্ডুলিপিটা।<br />
সেই পাণ্ডুলিপির সাথে কোটিযোজন<br />
দূরত্ব, তার এই পথচলার।<br />
তাই সে রাতের মতো যাত্রাকে শেষ করে<br />
ফিরে গেলো শ্বেতপাথরের টেবিলে<br />
পাণ্ডুলিপির সংশোধনে।<br />
এস এম আরীফের কবিতা</p>
<p>যাকিছু পাই<br />
অকারণে পাই<br />
দ্বিধাহীন চোখে তুলে নেই হাতে<br />
যা কিছু হারাই<br />
কারণ কী তার<br />
চক্ষু এড়াতে পারে?</p>
<p>সমাপ্তির কবিতা</p>
<p>কুয়াশা<br />
তার সবটুকু অনুভুতি দিয়ে<br />
রচনা করে গেছে শিশিরের গল্প।<br />
শিশির পড়ে আছে সবুজের কোমলতা ছুঁয়ে<br />
আর আলোর সব রঙ ছড়িয়ে<br />
জানিয়ে যাচ্ছে জীবনের সময়<br />
অল্প</p>
<p>ঐ বিশাল কোনোদিন জানবে না<br />
তার সীমানা খুঁজে ফিরতে মেঘের<br />
                            কতো বাহানা<br />
ডানা মেলে, রঙ নিয়ে<br />
                              উড়ে যায়<br />
ক্ষণে ক্ষণে<br />
            দূর থেকে দূরে<br />
অনন্তের অন্তরীক্ষে<br />
         তবু সে অনন্ত তাকে ধরা দেয় না।<br />
০৯.১২.০৭.<br />
নির্ঝর নৈঃশব্দ্যের কবিতা</p>
<p>আর ওখানে দুচোখের ক্ষিপ্ররাতে<br />
                                নির্জনমাঠের  খেলা&#8230;<br />
দিনভর ফালি ফালি করে শস্যের খেত চিরে বের<br />
                                     করা মায়াবিগ›ধ<br />
ক্রমশ অনূদিতচোখ <br />
যে-চোখ ছিলো মাছের গাছের ক্ষীণতোয়া জলার<br />
বৃশ্চিকফসলের দেশে মায়াবি আরক চুরি গেলে তারপরও<br />
অমরত্বের স্বপ্ন প্রলম্বিত করে পাখিস্বভাব&#8230;</p>
<p>দূরপাহাড়ের ছায়া খুঁজে ফেরে কে কার<br />
                                   স্তনের সকাশে <br />
জানে না অবিনাশি ভুল</p>
<p>কে কবে পান করে ছায়া রাশি রাশি<br />
নপুংসকের ঠোঁটেও জেগে থাকে একা<br />
                              বাঁশপাতার বাঁশি</p>
<p>০১.০৪.০৫.<br />
 </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=15</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কৃষ্য কাজির কবিতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=14</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=14#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 08 Dec 2007 07:08:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[krishya kazi]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=14</guid>
		<description><![CDATA[শুকনো পাতা
গম্বুজাকৃতি যে গাছটা দাঁড়িয়ে আছে,
তার নীচে তুমি এবং আমি মাঝখানে শুকনো পাতা।
মর্মর সুরে বাঁধা তুমি এবং আমি,
শুকনো পাতার উপরে পাখি হেঁটে যায়।
স্বপ্নঝরা
রাত্রির কাছে চিঠি সূর্যের খামে চিঠি স্বপ্নবহা,
রাত্রির মধ্যে যুদ্ধের খেলা চিঠির আত্মপ্রকাশ।
রাত্রির স্তন খায় মাছি রাত্রি দুগ্ধবহা।
রাত্রির নদী গেছে অন্য নদীতে স্বপ্নঝরাতে। ১
৩.০৫.০৫
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><em>শুকনো পাতা</em></p>
<p>গম্বুজাকৃতি যে গাছটা দাঁড়িয়ে আছে,</p>
<p>তার নীচে তুমি এবং আমি মাঝখানে শুকনো পাতা।</p>
<p>মর্মর সুরে বাঁধা তুমি এবং আমি,</p>
<p>শুকনো পাতার উপরে পাখি হেঁটে যায়।</p>
<p><em>স্ব</em><em>প্নঝরা</em></p>
<p>রাত্রির কাছে চিঠি সূর্যের খামে চিঠি স্বপ্নবহা,</p>
<p>রাত্রির মধ্যে যুদ্ধের খেলা চিঠির আত্মপ্রকাশ।</p>
<p>রাত্রির স্তন খায় মাছি রাত্রি দুগ্ধবহা।</p>
<p>রাত্রির নদী গেছে অন্য নদীতে স্বপ্নঝরাতে। ১</p>
<p>৩.০৫.০৫</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=14</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চয়ন চাকমার কবিতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=13</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=13#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 02 Dec 2007 12:38:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[chayan chakma]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=13</guid>
		<description><![CDATA[দ্বিধাহত
কতো লাজুক উচ্ছল ছিলে তখন!
রাতের নিস্তব্ধতায় আজও শুনি উচ্ছলতার আবেগতাড়িত ধ্বনিগুলি
মাঝে কিছু সময় হারিয়ে গেলো,
দূরত্ব ভেঙে দেখা হলো আবার
যখন তোমার চোখে রঙধনু সপ্তরঙের স্বপন,
অস্তাচলে হাঁটার ক্ষণে,
পাহাড়ি ফুল গন্ধবিহীন শোভা দেয়…
বলেছিলাম আমি, নদী যেমন শোভা দেয় ছাপিয়ে দুকুল…
হেসে প্রতিবাদী তুমি ফুল ছিড়ে ধর্ষনের মতো নাকে চেপে ধরলে,
ফুলগন্ধে আমায় মাতাল করে দিয়ে বললে,
স্বপ্ন দেখো কাউকে নিয়ে?
সূর্যাস্ত সুন্দর [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><em>দ্বিধাহত</em></p>
<p>কতো লাজুক উচ্ছল ছিলে তখন!</p>
<p>রাতের নিস্তব্ধতায় আজও শুনি উচ্ছলতার আবেগতাড়িত ধ্বনিগুলি</p>
<p>মাঝে কিছু সময় হারিয়ে গেলো,</p>
<p>দূরত্ব ভেঙে দেখা হলো আবার</p>
<p>যখন তোমার চোখে রঙধনু সপ্তরঙের স্বপন,</p>
<p>অস্তাচলে হাঁটার ক্ষণে,</p>
<p>পাহাড়ি ফুল গন্ধবিহীন শোভা দেয়…</p>
<p>বলেছিলাম আমি, নদী যেমন শোভা দেয় ছাপিয়ে দুকুল…</p>
<p>হেসে প্রতিবাদী তুমি ফুল ছিড়ে ধর্ষনের মতো নাকে চেপে ধরলে,</p>
<p>ফুলগন্ধে আমায় মাতাল করে দিয়ে বললে,</p>
<p>স্বপ্ন দেখো কাউকে নিয়ে?</p>
<p>সূর্যাস্ত সুন্দর তবু শোনায় সন্ধ্যার গান,</p>
<p>নিকষ কালো বিদায়ক্ষণে ফিরেও তাকালে না,</p>
<p>সূর্যাস্তের নেই জানা তারপানে চেয়ে রয়েছে আলো</p>
<p>কেনো কিছুতেই নেই বাধা</p>
<p>তারপরেও রয়েছে প্রশ্নবোধক কিন্তু…</p>
<p><em>দক্ষিণের জানলায় বৃষ্টিগান</em></p>
<p>দক্ষিণের জানলায় কিছুক্ষণ সুনীল আকাশ অন্ধকার হচ্ছে…</p>
<p>বৃষ্টিগান শুনিয়ে ফাঁকি দিচ্ছে আকাশ মাটিও প্রাণপণে সিক্ত হতে চাইছে। আকাশের বুক ভেঙে নামুক বৃষ্টি ঝড়োহাওয়ার গান শুনাক বাতাস…</p>
<p>এখন বৃষ্টির সময় নয় স্বপ্ন দেখবার,</p>
<p>ভালবাসায় সিক্ত হওয়ার সময় এখন নয়।</p>
<p>তবু পৃথিবীকে কাঁদিয়ে মেঘ ভেঙে নামুক বৃষ্টি…</p>
<p>ফাল্গুনের বৃষ্টি কিছুটা অন্যরকম চারিদিকে ফুল আর নতুন পাতায়..</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=13</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>লুসিফার লায়লার কবিতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=12</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=12#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 02 Dec 2007 12:33:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[editor]]></category>
		<category><![CDATA[lucifer layla]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=12</guid>
		<description><![CDATA[বসন্ত দিন

মধ্যাহ্নে আমাদের ঢুলঢুলে খালি পেট
ফেনভাত সেদ্ধ হয় রাজবাড়ির উনুনে।
এইভাবে বহুকাল দিন-মাস কেটে যায়
এইভাবে বাড়ে দেনা ক্ষোভ শোক পরিতাপ।
অন্ধকার পা ফেলে পারি দেয় সীমান্ত
চোখ জ্বলা জোছনায় রাজধানীতে বসন্ত।
উত্সবের গান
এইবার তুমি এসো বড় সড়কটার গলে যাওয়া পিচে,
আমাদের পদচ্ছাপ চিনে এসো;
উজ্জ্বল রোদে পুড়ে যেতে যেতে জলরঙা মেঘেদের ছবি হয়ে,
এইবার এসো।
গুটিকয় স্বপ্নদ্রষ্টা চোখ থেকে লুটে এনো স্বপ্নের বীজ,
বুনে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><em>বসন্ত দিন<br />
</em></p>
<p>মধ্যাহ্নে আমাদের ঢুলঢুলে খালি পেট<br />
ফেনভাত সেদ্ধ হয় রাজবাড়ির উনুনে।<br />
এইভাবে বহুকাল দিন-মাস কেটে যায়<br />
এইভাবে বাড়ে দেনা ক্ষোভ শোক পরিতাপ।<br />
অন্ধকার পা ফেলে পারি দেয় সীমান্ত<br />
চোখ জ্বলা জোছনায় রাজধানীতে বসন্ত।</p>
<p><em>উত্সবের গান</em></p>
<p>এইবার তুমি এসো বড় সড়কটার গলে যাওয়া পিচে,</p>
<p>আমাদের পদচ্ছাপ চিনে এসো;</p>
<p>উজ্জ্বল রোদে পুড়ে যেতে যেতে জলরঙা মেঘেদের ছবি হয়ে,</p>
<p>এইবার এসো।</p>
<p>গুটিকয় স্বপ্নদ্রষ্টা চোখ থেকে লুটে এনো স্বপ্নের বীজ,</p>
<p>বুনে দিয়ে যেয়ো প্রাত্যতিকতার নরম পলিতে।</p>
<p>এইসব আবছায়া অন্ধকার,</p>
<p>নিয়ন আলো গোগ্রাসে গিলে খেয়ে এসো;</p>
<p>বুকের থলিতে পুরে খুব সঙ্গোপনে নিয়ে এসো আলোর উত্সব।</p>
<p>অভ্যস্ত দিনযাপনের উঠোন কাঁপিয়ে ঠিকঠাক পথ চিনে এইবার এসো।</p>
<p><em>স্বপ্নবাজ</em></p>
<p>এইভাবে পথ হেঁটে হেঁটে একদিন তোমার কাছে যাব।</p>
<p>তোমার বুকের ভেতর জনসমুদ্রের স্রোত।</p>
<p>তোমার চোখের তারায় একেকটি স্বপ্ন সাম্যের।</p>
<p>তোমার বাঁপাশে শীতার্ত পৃথিবী, ডানে এলোমেলো অন্ধকার।</p>
<p>বুকের থলিতে উষ্ণতা পুরে একদিন ঠিকই পৌঁছুব।</p>
<p>শ্রান্ত হাতে কড়া নেড়ে নেড়ে বলবো</p>
<p>একমুঠো আগুন এনেছি, নেবে?</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=12</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সৌরভ পথবাসীর পাতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=11</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=11#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 25 Nov 2007 14:20:21 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[shourabh pothobashi]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=11</guid>
		<description><![CDATA[মধু ও মাওয়ালি
মাওয়ালি গভীর রাতে জেগে ওঠে, বুকে তার বুনো গন্ধ সোদা ও গভীর।
সুন্দরবন থেকে কয়েকটি কালো পাখি, লাল চোখ
উড়ে এসে বসেছে টিনের চালে; কী অস্থির-
মাওয়ালির ঘুম ভেঙে যায়; তীরবেগে প্রবেশ করে
কয়েকটি কালো পাখি দেহের ভেতরে।
মাওয়ালি মশাল জ্বালে, পেশীতে আগুন জ্বালে,
উদোম অন্ধকারে ফেলে রেখে ঘর,
মাওয়ালি শুকনো পাতা ভেঙে সুন্দরবনে হেঁটে যায়-
মধু খাবে অনেকদিন পর।  
কখনো [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><em>মধু ও মাওয়ালি</em></p>
<p>মাওয়ালি গভীর রাতে জেগে ওঠে, বুকে তার বুনো গন্ধ সোদা ও গভীর।</p>
<p>সুন্দরবন থেকে কয়েকটি কালো পাখি, লাল চোখ</p>
<p>উড়ে এসে বসেছে টিনের চালে; কী অস্থির-</p>
<p>মাওয়ালির ঘুম ভেঙে যায়; তীরবেগে প্রবেশ করে</p>
<p>কয়েকটি কালো পাখি দেহের ভেতরে।</p>
<p>মাওয়ালি মশাল জ্বালে, পেশীতে আগুন জ্বালে,</p>
<p>উদোম অন্ধকারে ফেলে রেখে ঘর,</p>
<p>মাওয়ালি শুকনো পাতা ভেঙে সুন্দরবনে হেঁটে যায়-</p>
<p>মধু খাবে অনেকদিন পর। <em> </em></p>
<p><em>কখনো কখনো সে</em></p>
<p>কখনো কখনো সে আমার অংশ থেকে গোপনে কিছুটা খাদ্য সরিয়ে রাখতো, যেরকম আমিও করেছি।</p>
<p>যেহেতু লোনা মাংশ আর ঈষদুষ্ণ মেদের পরত</p>
<p>অত্যন্ত উপাদেয় আগ্রহী জিহ্বার কাছে,</p>
<p>আমি অপরাহ্নে তাকে হত্যা করেছি।</p>
<p>তবে জানি: প্রতিপক্ষের মাংশ মরে, প্রতিপক্ষ কখনো মরে না।</p>
<p>সুতরাং, প্রস্তুত হই।</p>
<p>মাঝরাতে আমার গুহায় আজ জয়ের মতোন এক পরিব্যাপ্ত অসুখ নেমেছে। একবার জিতে আমি হয়েছি কতোটা পরাজিত</p>
<p>অবধারিত সেই জ্ঞান পেতে</p>
<p>ঘুমন্ত অগ্নিগিরির পাদদেশে অভিভূত বসতির মতো</p>
<p>আমি সে আসবে প্রতীক্ষায় থাকি।</p>
<p>আমি এবং আমার প্রতিপক্ষ এমনভাবে জীবনযাপন করি ।</p>
<p>২৯.০৩.০৬</p>
<p><em>অবর্ণনীয়</em></p>
<p>গতরাতে আমি শয্যায় অনুভব করেছি<br />
তুমি খানিকটা দূরে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে<br />
আমার দিকে তাকিয়ে রয়েছো।<br />
জানালায় খানিকটা আলো ছিলো;<br />
অবর্ণনীয়, তোমার ভাবলেশহীন হাতে তুমি আমাকে স্পর্শ করো নি<br />
তার পূর্বে সম্ভবত অতলান্ত দেখতে চাও,<br />
ভাবতে চাও।</p>
<p>অবর্ণনীয় এ এমন এক গন্তব্যে এলে তুমি<br />
দেখো নি কেমন ক’রে গতরাত তোমাকে দেখেছি<br />
স্থির চোখে? তারপর তোমার সমুখে<br />
দঁড়িয়ে বলেছি: গুলিকে যে দু-চোখের মাঝখানে<br />
টিপের মতো পড়ে, আমি সেই মানুষ।<br />
২৫.০৬.০৬.</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=11</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>লিথির পাতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=10</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=10#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 25 Nov 2007 13:57:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[lethe]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=10</guid>
		<description><![CDATA[চারতলার ছাদ
বিজলিবাতির মরে যাওয়া অন্ধকারে জেগে ওঠে
বুক চিনচিন করা রাত একটা বড় চাঁদের রাত।
মেঘ-সারথি ছুঁয়ে যায় চাঁদ-রঙ ডাকে আয়,
কাছে আয় চাঁদ-মেয়ের সাড়া কানে পৌঁছুয় না তার
আবারো ডাকে আয়, পাশে আয়
তার কানে আবারো হানা দেয় নৈঃশব্দ্য।
দ্বিধা জাগে মেঘ-সারথির কাছে যাবে,
না এমনিই রয়ে যাবে।
চারতলার ছাদের চাঁদ-মেয়েও বোঝে না,
কতটা দূরত্ব থাকলে আদৌ ছুঁতে পারবে মেঘ-সারথির বাড়ানো হাত।
নির্জন দুপুরগুলো
নির্জন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><em>চারতলার ছাদ</em></p>
<p>বিজলিবাতির মরে যাওয়া অন্ধকারে জেগে ওঠে</p>
<p>বুক চিনচিন করা রাত একটা বড় চাঁদের রাত।</p>
<p>মেঘ-সারথি ছুঁয়ে যায় চাঁদ-রঙ ডাকে আয়,</p>
<p>কাছে আয় চাঁদ-মেয়ের সাড়া কানে পৌঁছুয় না তার</p>
<p>আবারো ডাকে আয়, পাশে আয়</p>
<p>তার কানে আবারো হানা দেয় নৈঃশব্দ্য।</p>
<p>দ্বিধা জাগে মেঘ-সারথির কাছে যাবে,</p>
<p>না এমনিই রয়ে যাবে।</p>
<p>চারতলার ছাদের চাঁদ-মেয়েও বোঝে না,</p>
<p>কতটা দূরত্ব থাকলে আদৌ ছুঁতে পারবে মেঘ-সারথির বাড়ানো হাত।</p>
<p><em>নির্জন দুপুরগুলো</em></p>
<p>নির্জন দুপুরগুলো তোমার আরো নিঃসঙ্গ-নিশ্চুপ হয়ে যাবে,</p>
<p>নীল-সাদা এনভেলাপে উঠবে না ভরে তোমার ড্রয়ারটি আর।</p>
<p>বসন্ত রঙ স্বপ্নগুলো তোমার আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে যাবে;</p>
<p>ঘন ঘন সিগ্রেট ফোঁকা ঠোঁট দেখে উঠবে না কেউ চমকে।</p>
<p>দমকা হাওয়ার দিনে তোমার কপালে ঝুঁকে পড়া চুল সরিয়ে বলবে না কেউ “কেমন আছ?”</p>
<p>একবার ভেবে দ্যাখ ভেবে দ্যাখ একবার ‘আমি-হীন তুমি’ কি করে কাটাবে সন্ধ্যা নিঃশব্দ-নিস্পন্দ ইথারে?</p>
<p>কি করে কাটাবে সময় গভীর শুন্যতায়?</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=10</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নির্ঝর নৈঃশব্দ্য&#8217;র পাতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=9</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=9#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 25 Nov 2007 13:50:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[nirzhar noishabdya]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=9</guid>
		<description><![CDATA[১৭০৬০৫
এইপথ ছুটে যাচ্ছে
আমি বসে আছি
যেবাঁধন আমাকে দিলে এইপথের পায়ে দাও
আমরা দুজন মুখোমুখি হবো পথ আর আমি
নির্বাসন-৫.
তারপর যদি দেখা হয় পুর্নবার জারুলবনের একলাদুপুরবেলায়
তার হাতে তুলে দেবো স্বপ্নান্ধ অক্ষর কবিতার
আমার গাঙচিলডানার ভাঁজে যাকিছু লুকিয়ে রেখেছি নিজে:
মেঘের সাঁতার…
২০.০৬.০৫.
আমি বেড়ে উঠি সুন্দরস্পর্ধায়
আমি শস্যের গোপন প্লাবন
তার হাতে তুলে দেবো পৃথিবীর শেষ অন্ধকার
আমি তাকে আলো নামে ডাকি
বাকি থাকে একটি দিন হাজারটা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>১৭০৬০৫</p>
<p>এইপথ ছুটে যাচ্ছে</p>
<p>আমি বসে আছি</p>
<p>যেবাঁধন আমাকে দিলে এইপথের পায়ে দাও</p>
<p>আমরা দুজন মুখোমুখি হবো পথ আর আমি</p>
<p><strong><em>নির্বাসন-৫.</em></strong></p>
<p>তারপর যদি দেখা হয় পুর্নবার জারুলবনের একলাদুপুরবেলায়</p>
<p>তার হাতে তুলে দেবো স্বপ্নান্ধ অক্ষর কবিতার</p>
<p>আমার গাঙচিলডানার ভাঁজে যাকিছু লুকিয়ে রেখেছি নিজে:</p>
<p>মেঘের সাঁতার…</p>
<p>২০.০৬.০৫.</p>
<p>আমি বেড়ে উঠি সুন্দরস্পর্ধায়</p>
<p>আমি শস্যের গোপন প্লাবন</p>
<p>তার হাতে তুলে দেবো পৃথিবীর শেষ অন্ধকার</p>
<p>আমি তাকে আলো নামে ডাকি</p>
<p>বাকি থাকে একটি দিন হাজারটা দিন…</p>
<p>অন্যদিনের মোড়ে দাঁড়িয়ে কাকে খুঁজি অবেলা</p>
<p>পাশাপাশি বনের প্রান্তে মাঠ আর গ্রাম জেগে থাকে</p>
<p>অন্ধকার তার চোখের কাঁখে তাকে চিনি না</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=9</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সম্পাদকের পাতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=8</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=8#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 25 Nov 2007 13:13:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[editor]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=8</guid>
		<description><![CDATA[আবার কবিতা, আমাদের স্বপ্নান্ধ শব্দাবলি, একটি ক্রমবিস্তৃত কবিতার খাতা, সম্পাদক: নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আবার কবিতা, আমাদের স্বপ্নান্ধ শব্দাবলি, একটি ক্রমবিস্তৃত কবিতার খাতা, সম্পাদক: নির্ঝর নৈঃশব্দ্য</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=8</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>অরণ্য শর্মার পাতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=7</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=7#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 25 Nov 2007 12:55:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[arannya sharma]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=7</guid>
		<description><![CDATA[১
তোমাকেই তুমি সৃষ্টি করছ প্রতিনিয়ত পলে পলে
আমি সুন্দর, আমি অবস্থান করি প্রতিটি হৃদয়ে
আমি সত্য, আর স্থান দখল করি প্রত্যেক ঘটনায়।
আমার আত্মশক্তি, প্রেম ও প্রীতি বিস্তারিত হয় মহাশূণ্যে
সৎ-অসৎ, ছোট-বড় পেছনে পড়ে রয়
ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা ও কিছু নয়।
ক.
ধ্বংসের মধ্যে জন্ম
ধ্বংসের মাঝেই সৃষ্টি, ধ্বংস হচ্ছে সৃষ্টি হচ্ছে
হয়ে চলেছে বয়ে চলেছে ক্রিয়া
ঘটে চলেছে ঘটনারাজি
তবুও আমরা জীবন বাজি ধরি, জীবনে !
জীবন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>১</p>
<p>তোমাকেই তুমি সৃষ্টি করছ প্রতিনিয়ত পলে পলে<br />
আমি সুন্দর, আমি অবস্থান করি প্রতিটি হৃদয়ে<br />
আমি সত্য, আর স্থান দখল করি প্রত্যেক ঘটনায়।<br />
আমার আত্মশক্তি, প্রেম ও প্রীতি বিস্তারিত হয় মহাশূণ্যে<br />
সৎ-অসৎ, ছোট-বড় পেছনে পড়ে রয়<br />
ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা ও কিছু নয়।</p>
<p>ক.<br />
ধ্বংসের মধ্যে জন্ম<br />
ধ্বংসের মাঝেই সৃষ্টি, ধ্বংস হচ্ছে সৃষ্টি হচ্ছে<br />
হয়ে চলেছে বয়ে চলেছে ক্রিয়া<br />
ঘটে চলেছে ঘটনারাজি<br />
তবুও আমরা জীবন বাজি ধরি, জীবনে !<br />
জীবন বিকি জীবন কিনি<br />
ব্যস্ত সমস্ত সদা চঞ্চল,<br />
ধ্বংস করি সৃষ্টি করি, আর<br />
ভাবি পরমহংসÑবলি বারবার ‘নিজেকে জানো’।</p>
<p>জানার পথেই জানা গেলো গাছের পাতা<br />
ঝরে পড়ে, আবার ধরে ঝরে পড়ে<br />
তারও জীবন ঢের মানুষের মতো<br />
তবু মানুষের তা নয়, ঝরে পড়িনা আমরা<br />
ব্যস্ত সমস্ত সদা চঞ্চল,<br />
ধ্বংস করি সৃষ্টি করি ধ্বংস হই<br />
চলছি ঝরা পাতা মাড়িয়ে নির্ভয়, কলকল&#8230;</p>
<p>২<br />
নতুন সৃষ্টির আনন্দ নন্দনে মৌন অপর<br />
ডানা পেল তাই উড়তে নেই মানা।<br />
ঘর নয়, নয় আঙিনা, দু&#8217;চোখে দেখা পথ<br />
মনে রয়েছে, মনের চোখে দেখা শব্দছানা<br />
হাঁসের চরে মহানন্দে হাসে বর।</p>
<p>জিতেছ ডানা, জুড়ায় মনের ভার<br />
মন মন মন, আর সব বাদ<br />
মনোমোহন তাই সেই পথে যায় নির্ভয়ে<br />
জোড়া চোখের ঠুলি সদাই বিদ্যুচ্চমকে ঝরে।</p>
<p>উড়ে চলো, করি পরিভ্রমণ<br />
করি মহাবিশ্ব আস্বাদন&#8230;</p>
<p>৩<br />
জোছনায় সাগর তীরে নূড়ি ও বালুকণার সাথে<br />
লাল-কাঁকড়াদের গভীর প্রেমের সাক্ষী বনে গিয়ে<br />
ভেবে ছিলাম মনে কতো কী অজানা ?<br />
তুমি চেয়েছিলে লালবাউল- জীবন দিয়ে সেই প্রেম<br />
সেই প্রমা’র কারুকার্য এঁকে ভরিয়ে দেবে আমাদের মন।<br />
আমাদের গুরু ভ্যানগঘও জীবন বেসেছে ভাল<br />
জীবনানন্দও তাই হেঁটে ছিল পৃথিবীর পথে<br />
জোৎøা খুঁজে ছিল ধানসিঁড়ি পাড়ে।</p>
<p>রিমঝিম ঝিমমারা বৃষ্টি বেলায় চাতকের খুশিতে<br />
পথ-ঘাট সোঁদাগন্ধ ছড়িয়ে ছিল যখন<br />
ভিজেছি তাদের সাথে আমরাও পড়ে থাকিনি ঘরে।<br />
আজ তাই একা নই, বৃক্ষরাজের মতো<br />
হাত-পা ছড়িয়ে দিয়েছি মহাশূণ্য মাঝে<br />
তুমি এসে তাই ক্ষণেক দাঁড়ালে এর ছায়ায়।</p>
<p>৪<br />
আলোক বৃক্ষ আঁকতে আঁকতে ভুলে গেছি<br />
জোনাকিদের নাম, আলোর দাম হলোনা দেয়া।<br />
রং কিনতে সময় দিলাম কতো !<br />
কতো গেলো কাল ছড়াতে ছড়াতে !!<br />
আলো ও কালোর মানে জানলো না কেউ কেউ<br />
তাইতো দেখাই আলোর রোশনাইজ্বেলে দ্বীপাবলী।</p>
<p>৫<br />
এই অবধি জানা গেল<br />
আমরা শিক্ষিত হওয়ার জন্যই বাঁচি।<br />
খাওয়ার জন্য নয়, আয়েশের জন্যও নয়<br />
বেঁচে আছি প্রতিনিয়ত আলোকাত হব বলে।</p>
<p>যতসব মনুপিথেকাস থেকে নরাধমে এসে<br />
মানুষের ক্রম বর্তন শেষ হয়ে যায়নি<br />
কোন উন্নত লক্ষ্যের পানে হেঁটে চলেছি<br />
তীরের ফলা মুখে তাই,</p>
<p>আলোবহনক্ষম মানুষের ভক্ত হয়ে আছি<br />
আলো বহন করি, আলো ফেরি করি<br />
আলো দিয়ে গাঁথি মালা, আর<br />
খবরদার, কেউ জ্বালবেনা অন্ধকার।</p>
<p>চ.<br />
অবলারে বলে ছিলাম বল খেলবে নাকি !<br />
বলতে বলতে খেলা হল শুরু, দুরু বুকে<br />
বলি খেলার আসরে বুকের ছাতি খুলে<br />
কলি খেলে গেল খেলাÑ এই অবেলায়।<br />
বেলা শেষে খেলা সাঙ্গ হলে বীরবাহু ধীরে<br />
দাঁড়াল শূণ্য হাতে সৈকতের তীরে,<br />
বেলা ভূমি বেহালা বাজায়Ñ ঘন আনন্দের সুর।<br />
নেংটো রাখাল লাল কাঁকড়া চরায় আঁধার ভরা গায়<br />
ঢেউয়ের মাথায় পায়রা খেলে পায়ে মুক্তার মালা, আর<br />
চিরমৌনি ঈশ্বর জপে- হরি অউম্, হরি অউম্&#8230;<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.</p>
<p>২<br />
প্লাবন যখন ঐতিহ্য হারাল শুকাতে লাগল তার গভীরতাও<br />
ক্রমশঃ শুকিয়ে বেরিয়ে পড়ল অস্থি<br />
এই সেই বস্তু<br />
অসুর বধে ব্রহ্মাস্ত্র তৈরীর জন্য যা দান করেছিল দধিচী।</p>
<p>৩<br />
মালির কাজ করি বলে হীন ভাব কেন, সেইতো আশ্চর্য&#8230;</p>
<p>ফুলতো তোমাদের জন্য, আমরা তার কতটুকুই বা নেই<br />
গড়ে যে শান্তি সেই সুখে প্রাণ উল্লম্ফন চায়<br />
অন্তত একটা লম্ফ&#8230;</p>
<p>পাথর যে ভাঙে, শুধু ভেঙেই চলে<br />
কাজের সময় যেভাবে ফুরিয়ে যায়, সে পথেই ফুরিয়ে যায় জীবন<br />
আসা-যাওয়া কী ই যে হয় !</p>
<p>দিনে ফুল ফুটাই রাতে পাথর ভাঙি,<br />
ভাঙতে-ভাঙতে মনে হলো বেশতো ছিলাম&#8230;<br />
আমার হাতে কড়া পড়েছে, আঙুলে ফুল ফুটেছে</p>
<p>তোমরা মধু খাও যারা ভ্রমর বলে লোকে।</p>
<p>৪<br />
মানুষ বলো&#8230;<br />
কবি কিনা বলো না, কী আসে যায় ! কবিতা হলো না কী, তাও না,<br />
বলো না মহৎ-অরহৎ কোনো কিছু, আসে-যায় যা বিচার পাওনা।</p>
<p>বলতে পারো গাইতে পারি গান কিংবা পদ্য<br />
অভিমান নাই মনে নাই, প্রেমে মন গদ্য<br />
গদ্যে-পদ্যে বিভেদ কোথায় নারী-পুরুষে মানুষ<br />
ভালোবাসায়ও ভেদ নেই হই হুশ কিংবা বেহুশ।</p>
<p>আঁকতে পারি স্বীকার করি আঁকার আছে যত<br />
মাঝে মধ্যে ডুব দিয়ে তাই সেই সাধনায় রত&#8230;কিন্তু আসল<br />
উদ্দেশ্যটায় থাকলে পরে নত, মানুষ গুরুর নিষ্ঠাই সদা ব্রত<br />
চিন্তা কি তাই হাঁটতে পারি ডাঙায় কিংবা রসে&#8230;</p>
<p>উপলব্ধি আসে মনে ইলহাম কিংবা ভাব<br />
গদ্যে-পদ্যে আঁকি তায় নাই ক্ষতি নাই লাভ<br />
দেখার আছে কতো কিছু জানার যতো ভাব<br />
অভাবের রাজ্য তবু জানো এবং জানাও হলো স্বভাব।</p>
<p>এমনি ভাবে রুয়ে দেই গদ্য-পদ্য নানান রঙ<br />
কী হয় তার মূল্যখানি ভাবিনা, ভাবনায় জয়গুরু, হরিওঁ&#8230;</p>
<p>৫<br />
লম্বা দাড়ি তাই বলো ভাই শিল্পী কিংবা পাগল<br />
মৌ লোভী বা মোল্লা নাকি, সাধু নয় বা সন্নাসী প্রশ্ন যখন তখন<br />
কী আসে যায় দাড়ি, মুখটি আমার ঢেকে রাখি !</p>
<p>আমি কেউ একজন নই, আমার ভেতর সবাই<br />
তাইতো, দেখতে কালো, মনটা রাঙা সদাই<br />
আমি আর ভিন্ন কীসে, তোমার পরাণ, জাগি তোমার লাগি<br />
আমিও দেখ তোমার ভেতর কেমনে মিশে আছি,<br />
বিশ্ব জগৎ সবটা আছে আমাদেরই দেহে,<br />
দেহ ঢাকতে জামা বানাই তেমনি ঢাকি মুখ<br />
দাড়ি বা চুল পোষাক যত বিশেষত্ব নাই<br />
ভুল ভেবো না, অসাধু নই ঋষির বিদ্যা জানি<br />
মৌ-মাছিতে কোন লোভ নাই।</p>
<p>৬<br />
মরণে বিশ্বাস নেই আমার অমরত্বে আছি<br />
তাই নির্ভীক সদাই প্রফুল্ল থাকি, আনন্দে বাঁচি&#8230;</p>
<p>আগুণ পারে না পোড়াতে আমায়<br />
বাতাস পারে না শুকাতে<br />
মানুষ পারে ভালোবাসাতে, সেই জানে বাঁচাতে।<br />
সকল জীবনে এ প্রেম রত, যত প্রাণ বা প্রাণী<br />
আমি ভাই প্রেমের মানুষ, ভালোবাসতে জানি&#8230;</p>
<p>লয় নাই মোর ক্ষয় নাই কোন<br />
সংযত মন প্রশান্ত হৃদয়,<br />
অন্তরে বিশ্বাস সুপ্রতিষ্ঠিত<br />
কোন কাজই আর অসাধ্য নয়।</p>
<p>মরণে বিশ্বাস নেই আমার, অসুন্দরেও নেই<br />
হিংসা-দ্বেষ-মিথ্যাকে দিয়েছি ছুটি, তাই, আনন্দে বাঁচি,<br />
আনন্দে নাচি আর কর্ম অন্তঃপ্রাণ&#8230;</p>
<p>৭.</p>
<p>এই ছোট্ট শিশুটি থেকে ধীরে ধীরে বড় হলে<br />
জগতের জল-বায়ু-ফল গিলে বাড়ালে বল<br />
প্রকৃতি দেখে দেখে চোখে লাগালে সুষমা<br />
গান শুনে প্রাণ হলো ধন্য<br />
মানুষের প্রেম নিয়ে ভরলে মন<br />
ভেবে বলো দেখি এই মানুষের জন্য<br />
কি দিয়েছ, কি করলে, কখন ?<br />
৮.<br />
চাঁদকে দিয়েছি ছেড়ে চরে খাও- বলছি পৃথু<br />
অদৃশ্য সুতো যায় না -দেখা চরে খাই তবুও বাঁধা<br />
স্বভাব জালে, আবার দেখো-চলছে ভ্রমণ<br />
ছুটছি ঝাঁক বেঁধে ঠিকানা কানা তাই মেনেছি বাঁধন।</p>
<p>বিষয়ে বিস্ময় কেনো মহাকাল তুড়িতে বাজে<br />
জন্মে যেতে যেতে লম্ফ দিই কোন্ সুখে<br />
বাবা বলছে বাবাকে ভালোবেসো ভালোবাস<br />
মায়ের কী কাজ সারাদিন জল ঘেটে ঘেটে !</p>
<p>কী হবে মানবে ভক্তি, ভক্তিতে মানব সমাজ<br />
তীরের মত চলে যায় তবু ঘুরে ঘুরে আসে<br />
সত্যের শিব সুন্দরবনে যায় মধু আহরণে<br />
পৃথুর বসে থেকে কাজ নেই তবু বসে থাকে।</p>
<p>কালী দাস করে বাস জলের দেহে লেগেছে মরণ<br />
বুদ্ধ শীতল চোখে বসে পাখা হাতে ধরে পশু ভাব<br />
মেষ দলে পথ ভুলে কাঁটাবন পাড়ি দেয় আলামিন<br />
বসে থেকে কাজ নেই তবু পৃথু বসে থাকে, যায় দিন&#8230;</p>
<p>থাক, ভুলে থাক চলা প্রজা রূপে কোন আরাধনা নেই<br />
ভুলিয়া ভ্রমণ কেন অকারণ পতনে রতন মানি<br />
ভিন্ন কিছু নই বনে বনে খই ছড়িয়ে দিলো নারী<br />
পুরুষ কুঁড়িয়ে খায় কানা ঘরে নাই তীর ফিরে আসে জানি।</p>
<p>৯<br />
এসো আনন্দ উদ্যানে এসো এসো<br />
আনন্দের হলো জয়&#8230;</p>
<p>বাবা বললো- ‘নিজে আনন্দময় হও এবং সকলকে আনন্দ দাও।<br />
সমগ্র জগৎ আনন্দে পরিপূর্ণ কর। ভাবে, ভাষায়, কর্মে সাধন কর<br />
আনন্দের, প্রসার কর আনন্দের, প্রচার কর আনন্দ, আনন্দই তোমার<br />
জীবন হোক, আনন্দই তোমার অমৃত হোক’</p>
<p>এসো আনন্দ হবে সবাই মিলে<br />
আনন্দে এসো, আনন্দ নাও&#8230;</p>
<p>খণ্ড খণ্ড আনন্দ নয় চাই বিশ্ব অখণ্ড<br />
ক্ষণিক আনন্দ নয়, চাই নিত্যানন্দ।</p>
<p>১০<br />
‘মানুষ খুঁজিয়া মরে মানুষের মন’</p>
<p>বাবা বললো ‘ধ্বংস হতে পারো-তবু<br />
মানুষ হবার অধিকার ত্যাগ করো না’।<br />
বাবাকে জিজ্ঞাসিলাম-‘ধর্ম কি?’<br />
বললো, ‘ধর্ম হচ্ছে জীবনকে মঙ্গলের সাথে ধরে রাখার<br />
          নিরপেক্ষ সূত্র’ ।<br />
১১<br />
প্রজাপতির রঙীন ডানায় ভর করেছে স্বপ্নগুলো<br />
স্বস্তি চাই অন্ধকারে শান্তি চায় মনের আলো</p>
<p>তুমি আমি একই রকম হরেক রকম বেশ<br />
প্রাণের পরশ প্রাণের মাঝে না হয় যেন শেষ</p>
<p>কতো শতো স্বদেশ আমার তুমিও দিও সঙ্গ<br />
একই বিশ্ব একই দেশ একই প্রকার অঙ্গ</p>
<p>আলো ভুলে কালো কেন নেই চেতনা মনে<br />
মনের আলো জ্বালিয়ে তোলো বলছি তোমার সনে</p>
<p>খাঁচার পাখি মুক্ত করে মনের পাখি দেখো<br />
আনন্দ আর অভয় বাণী হৃদয় পটে এঁকো।</p>
<p>১</p>
<p>আমি কেউ নই,</p>
<p>আমি হলাম আমরা</p>
<p>আমরা কেমন আছি</p>
<p>আমরা আছি,</p>
<p>আমরা কি করছি</p>
<p>আমরা কৃষক।</p>
<p>আমাদের হলুদপাখি</p>
<p>আমাদের বাঁকখালি</p>
<p>জমিটুকু আমাদের</p>
<p>আমরা ভালোবাসি</p>
<p>আমরা আছি</p>
<p>আমরা থাকবো না</p>
<p>আমাদের ঘর নেই</p>
<p>আমরা তোমাদের</p>
<p>তোমরা সবুজ-কৃষ্ণচূড়া-ছাতিমফুল</p>
<p>আমি হলাম তোমরা</p>
<p>আমরা বনেজনে নদীতে ঢেউয়ে</p>
<p>সাদাফুল, হিজল-জারুল,</p>
<p>কাজলরেখা বুদ্ধ-লালন</p>
<p>আরো কতকী…</p>
<p>আমাদের নাও।</p>
<p>২</p>
<p>তুমি কি চাও!</p>
<p>কোথায় যেতে চাও!!</p>
<p>আমরা তোমার সাথে</p>
<p>সাগরে করতালের সাথে</p>
<p>ঝাউঝোপের নীচে বালির উপর বসে কাটাবো কিছুক্ষণ,</p>
<p>সূর্যের ডুবে যাওয়া দেখে দেখে পেরিয়ে যাব চর্বাক-জ্ঞানতত্ত্ব-ইতিহাস লালকাঁকড়ার ঝোপে বেড়াবে একতারা হাতে লালন।</p>
<p>আর কিছু চাও</p>
<p>তুমি নিতে পার আমাদের নূড়িঢাকাছড়াপথ</p>
<p>সবুজের মাঝে হারিয়ে যাওয়ার উষ্ণতা,</p>
<p>ছায়া,</p>
<p>জুমঘরে নিশিপালন,</p>
<p>আরণ্যকের ওম্</p>
<p>রঙধনুতক্ষকের ডাক,</p>
<p>বাঁশকোড়লের রস ও বন্ধুর পথে হেঁটে যাওয়া…</p>
<p>দেখো আমরা তোমাদের সাথে সমাজে ও পাঠশালায়,</p>
<p>সবচেয়ে নতুন কথায়</p>
<p>সুলতানের বৃক্ষরোপনে</p>
<p>হে আদিম বৃক্ষ, মানববর্গ আমরা তোমাদের জন্য।</p>
<p>করুণা সিন্ধুর গান গাই এসো,</p>
<p>ঢেউ এস মতো কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে গড়ি সেনার রেণুপুঞ্জ। <em> </em>  </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=7</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ধূলিকণার পাতা</title>
		<link>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=5</link>
		<comments>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=5#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 25 Nov 2007 10:25:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>nirzhar</dc:creator>
				<category><![CDATA[dhulikona]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?p=5</guid>
		<description><![CDATA[মেঘ তুমি এসেছিলে
আজ শরত দুপুরে মেঘ তুমি এসেছিলে
তোমার করতল চিহ্ন আঁকা আমার দেয়ালে
তোমার নীল উত্তরীয় দেখি নি
তার বর্ণচ্ছায়া রেখে গেলে তুমি
মেঘ তুমি কি কাঁদতে এসেছিলে
চারপাশ এলোমেলো করে খুঁজেছি তোমার অশ্রু
তোমার করতল চিহ্ন ছাড়া কিছুই দেখি নি
মেঘ তুমি কাঁদতে ভুলে গিয়েছো!
১৯.০৮.০৬.
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><em>মেঘ তুমি এসেছিলে</em></p>
<p>আজ শরত দুপুরে মেঘ তুমি এসেছিলে</p>
<p>তোমার করতল চিহ্ন আঁকা আমার দেয়ালে</p>
<p>তোমার নীল উত্তরীয় দেখি নি</p>
<p>তার বর্ণচ্ছায়া রেখে গেলে তুমি</p>
<p>মেঘ তুমি কি কাঁদতে এসেছিলে</p>
<p>চারপাশ এলোমেলো করে খুঁজেছি তোমার অশ্রু</p>
<p>তোমার করতল চিহ্ন ছাড়া কিছুই দেখি নি</p>
<p>মেঘ তুমি কাঁদতে ভুলে গিয়েছো!</p>
<p>১৯.০৮.০৬.</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.abarkobita.fineartsbd.com/?feed=rss2&amp;p=5</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

